April 15, 2021

University Live 24

The Mirror of University Life

বশেমুরবিপ্রবি’তে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালন

1 min read

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ২০২১ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রচার ও আলোচনা সভা, টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

৭ মার্চ ২০২১ দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে ৫০১নং কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম. মাহবুব। আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ “৭ই মার্চের ভাষণঃ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বাংলাদেশের অর্জন” উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার অ্যান্ড বাংলাদেশ স্টাডিজের সহকারী অধ্যাপক মোছাঃ সানজীদা পারভীন এবং অন্যান্যের বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ শাহজাহান, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম এ সাত্তার, আইন অনুষদের ডিন মোঃ আবদুল কুদ্দুস মিয়া, রেজিস্ট্রার মোঃ আব্দুর রউফ, প্রক্টর ড. মোঃ রাজিউর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস.এম গোলাম হায়দার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মোঃ কামরুজ্জামান, শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট মোঃ ফায়েকুজ্জামান মিয়া, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিরাজ শিকদার, শিক্ষার্থী কারিমুল হক প্রমুখ।

আলোচনা সভার সভাপতি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম. মাহবুব বলেন, আমাদের সৌভাগ্য যে, আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে পেয়েছি। জাতির পিতার ৭ই মার্চের ভাষণ আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। তাঁর আদর্শ আমাদের লালন ও ধারণ করতে হবে।

প্রবন্ধ উপস্থাপক বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার অ্যান্ড বাংলাদেশ স্টাডিজের সহকারী অধ্যাপক মোছাঃ সানজীদা পারভীন বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বাংলাদেশের অর্জন বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ শাহজাহান বলেন, জাতির পিতা ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের অন্যতম মাইল ফলক।

জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম এ সাত্তার তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ২৩ বছরের নিপীড়ন, বঞ্চনা ও আন্দোলন সংগ্রামের প্রকাশই হলো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।

আইন অনুষদের ডিন মোঃ আবদুল কুদ্দুস মিয়া বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের সংবিধান নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

রেজিস্ট্রার মোঃ আব্দুর রউফ তার বক্তব্যে শিক্ষকদের প্রতি ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে পিএইচডি গবেষণার আহবান জানান।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. কামরুজ্জামান বলেন, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক এস.এম গোলাম হায়দার বলেন, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ৭ কোটি বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করেছিল।

প্রক্টর ড. মোঃ রাজিউর রহমান তার বক্তব্যে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের আইনগত গুরুত্ব তুলে ধরেন।

শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট মোঃ ফায়েকুজ্জামান মিয়া বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালি জাতির জন্য অমিয় বাণী।

অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিরাজ শিকদার বলেন, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণই ছিল স্বাধীনতার মূলমন্ত্র।

শিক্ষার্থী কারিমুল হক বলেন, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে যুদ্ধ পরিচালনার দিক নির্দেশনা ছিল।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে সকাল ১০টায় টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এছাড়া বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে ৫০১নং কক্ষে বঙ্গবন্ধু ইনস্টিটিউট অব লিবারেশন ওয়ার অ্যান্ড বাংলাদেশ স্টাডিজের উদ্যোগে এ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *