April 15, 2021

University Live 24

The Mirror of University Life

শিক্ষাব্যবস্থায় থাকছেনা জিপিএ-৫!

1 min read

শিক্ষাব্যাবস্থ্যায় পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, পরীক্ষা পদ্ধতি তুলে দিয়ে বিকল্প উপায়ে মুল্যায়নের বিষয়টি ভাবছে সরকার। বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশে কর্মরত ১৫টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা’র ‘নিরাপদ ইশকুলে ফিরি’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সনদসর্বস্ব পরীক্ষানির্ভর পদ্ধতি বদলাতে হবে। আমাদের মাইন্ডসেটও বদলাতে হবে। আনন্দময় শিক্ষার কথা আমি বলেছি। আমরা কী শিখলাম, কতটা শিখলাম সেটা মূল্যায়নের বদলে আমরা জুজু বানিয়ে ফেলেছি। সেজন্য আমরা ধারাবহিক মূল্যায়নে যাচ্ছি। জিপিএ-৫ তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। সেটা করতে হবে।’

ডা. দীপু মনি বলেন, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমূল পাল্টে ফেলা হবে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিকে কাজে লাগানো দরকার। আমরা কী পড়ছি, কী পড়াচ্ছি, কেন পড়াচ্ছি, কীভাবে পড়াচ্ছি-এসব ভাবতেই হবে। পুরোপুরি অবস্থার ওপর নির্ভর করবে, আমরা কি ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি বা শেষ দিকে স্কুল খোলার একটা সুযোগ পাব, নাকি মার্চ মাসে খোলার চেষ্টা করব? মোটকথা একেবারে গোড়া থেকেই যেটি কথা, স্বাস্থ্য ঝুঁকি আমরা নেব না। যেখানে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকবে, তখন আমরা খুলব না। যখন মনে করব, ঝুঁকিটা খুবই কম এবং এখন খোলা যায় নিরাপদভাবে, আমরা তখন খুলব। যখনই স্কুল-কলেজ খোলা হোক না কেন, তার কতদিন পরে এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষা নিলে শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হবে না- সে বিষয়টি মাথায় রেখে সিলেবাস প্রণয়নের কথা জানান তিনি।

স্কুলে প্রথম হওয়া ও রোল নম্বর নিয়ে অসুস্থ ও অনভিপ্রেত প্রতিযোগিতা চলে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জিপিএ-৫ পেলে কী উচ্ছ্বাস! আর জিপিএ- ৪ দশমিক ৯ পেলে কবরের নিস্তবদ্ধতা। এটা কি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য সুখকর কিছু? আমরা রোল নম্বর তুলে দিয়েছি? এটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা। পরীক্ষা..পরীক্ষা…পরীক্ষা । পরীক্ষাটাকে মূল্যায়নের পরিবর্তে জুজুতে পরিণত করেছে। আমরা জিপিএ-৫ তুলে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছিলাম। সনদ সর্বস্ব পরীক্ষা পদ্ধতি হয়ে গেছে। এগুলো থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ, বাংলাদেশে ইউনিসেফের উপ-প্রতিনিধি ভিরা মেন্ডোনকা এবং কানাডা হাই কমিশনের হেড অব ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিট্যান্স ফেদ্রা মুন মরিস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *